Home » ।রমজান শরীফ এবং জুমা মুবারকের ফজলিত

।রমজান শরীফ এবং জুমা মুবারকের ফজলিত

Advertisements In Feed
Advertisements

মহান আল্লাহ অশেষ মেহেরবান এবং অসীম দয়ালু। তিনিই আমাদের জীবনদাতা পালনকর্তা। তিনিই আমাদের বিধাতা। আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁরই এবাদতের জন্য। করেছেন সৃষ্টিজগতের সর্বশ্রেষ্ঠ । দিয়েছেন সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মতের মর্যাদা। আমরা যাতে পথভ্রষ্ট না হই তারজন্য অবতীর্ণ করেছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ঐশি গ্রন্থ আলকুরআন। মহানবীর মহাপ্রস্তানের পর সাহাবি, তাবি, তবে তাবি এবং উলামায়ে কেরামের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছেন, যাতে আমরা গোমরাহ না হই। কিন্তু বনি আদম গোমরাহির পথে চলমান। আল্লাহর অবাধ্যতা এবং গোনাহে লিপ্ত। এদিকে আল্লহর দরবার ক্ষমার জন্য সদা উন্মুক্ত। তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ ক্ষমাদানকারী। তিনি চান বান্দা ক্ষমা প্রার্থনা করুক। ক্ষমা লাভে ধন্য হয়ে মুক্তির সোপানে আরোহণ করুক। কিন্তু সব বান্দা তো আর ক্ষমা প্রার্থনা করে না। তাঁর নির্দেশিত পথে চলে না। গোমরাহির পথ ছেড়ে মুহাম্মদি রাজপথ ধরে না। করে তাঁর অবাধ্যতা।

মহান আল্লাহ বান্দাকে মুক্তি দিতে রেখেছেন কত শত ব্যবস্থা। কত বাহানা। তিনি কাকে, কেন এবং কিভাবে মুক্তি দেবেন? তা আমরা কেউই জানি না। তিনি বিভিন্ন মানুষকে বিভিন্নভাবে ক্ষমা করেন,আযাব থেকে মুক্তি দেন।

আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মদিকে দিয়েছেন সব মাসের সেরা মাস রমজান মুবারক। দিয়েছেন সপ্তাহের সেরা দিন জুমা। আল্লাহর কাছে রমজানের এবং জুমার রয়েছে আলাদা মর্যাদা। তাই এরজন্য রেখেছেন আলাদা ফজিলত। আলাদা ছাড়।
কী সেই ফজিলত? কী সেই ছাড়? রমজান শরীফে বা জুমা মুবারকে কোন ফাসিক মুসলমান মৃত্যু বরণ করলে তার কবরের আযাব হ্রাস করে দেয়া হয়। অতঃপর কিয়ামত পর্যন্ত কবরের আযাব তোলে দেয়া হয়। এবং সে কবরের আযাব থেকে মুক্তি পেয়ে যায়। রমজানের এবং জুমার সম্মানে কাফিরারও অনেকটা ছাড় পেয়ে যায়। কোন কাফির পবিত্র রমজান বা জুমার দিনে ইহকাল ত্যাগ করলে রমজান মাসের এবং জুমার দিনের আযাব হ্রাস করা হয়। রমজান এবং জুমা বিগত হওয়ার পর নির্ধারিত আযাব চলতে থাকে। আবার রমজান শরীফ এবং জুমা মুবারক আসলে আযাব হাল্কা করা হয়। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে।
(ফতোয়ায় দারুল উলুম)

এ বিষয়ে ফতোয়ায় বানুরী টাউন করাচিতে দুটি মত উল্লেখ করা হয়েছে ।
এক,যদি কোন ফাসিক মুসলমান রমজানে এবং জুমার দিনে মৃত্যু বরণ করে তাহলে তার কবরের আযাব হ্রাস করা হয়।
দুই, রমজানে এবং জুমার দিনে কোন ফাসিক মুসলমান ইন্তেকাল করলে নেকির মুনকিরের প্রশ্ন থেকে রক্ষা পায়, কিয়ামত অবধি কবরের আযাব থেকে মুক্তি লাভ করে। এবং কবরে প্রশান্তিতে থাকে। দ্বিতীয় মতটিই বিশুদ্ধ । তাছাড়া আল্লাহ তায়ালার রহম হলে হাসরের দিনের আযাব থেকেও সে মুক্তি লাভ করে বেহেস্তে প্রবেশ করবে।

Rashid Qasimi

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top