Home » ইতিহাসের পাতায় আলজামিয়া।

ইতিহাসের পাতায় আলজামিয়া।

সাল ১৯৩৮। বিখ্যাত আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব,কৌমের দরদী রাহবার হযরত মাওলানা আবু ইউসুফ মুহাম্মদ ইয়াকুব ওরফে হাতিম আলী রাহঃ বদরপুরে‌ একটি মাদ্রাসা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। স্বপ্ন সাকারে তিনি বদরপুরের দ্বীনি শিক্ষাপ্রেমী মনীষীদের নিয়ে বসেন। এরপর সবার সহযোগিতায় ইসলামিয়া মাদ্রাসা স্থাপন করেন। কালের আবর্তনে সেই ইসলামিয়া মাদ্রাসা দেওরাইল সিনিয়র এবং দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব,আপোষহীন সংগ্রামী, আমীরে শরীয়ত হযরত মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ এর হাতে ধরে দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসা আলজামিয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামীয়ায় রূপান্তরিত হয়।

দেওরাইল সিনিয়র মাদ্রাসার দক্ষিণ পশ্চিমাংশের দুটি কক্ষে সর্বপ্রথম দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসার পাঠদান শুরু হয়েছিল। বর্তমান বাংলাদেশের সিলেট জেলার রেঙ্গা নিবাসী মাওলানা আতিকুল হক রাহঃ ছিলেন এখানকার প্রথম অধ্যাপক। তিনি ছিলেন একাধারে শায়খুল হাদিস এবং অধ্যক্ষ। অবশেষে মাওলানা আতিকুল হক সাহেব বিদায় নিলেন ‌। তাঁর বিদায়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলেন মুতাওল্লী শায়খ হাতিম আলী রাহঃ।

হযরত মাওলানা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহঃ ছিলেন শায়খুল ইসলাম হযরত মদনী রাহঃ এর খলিফা। সিলেট বায়মপুরের এই সুযোগ্য মুহাদ্দিসের অসাধারণ জ্ঞান ও প্রজ্ঞা শায়খ হাতিম আলী রাহঃ এর নজর কাড়ে। তিনি তাঁকে দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসায় অধ্যাপনার অনুরোধ জানালেন। বিখ্যাত আধ্যাত্মিক পুরুষ হাদিস শাস্ত্রে পারদর্শী ব্যক্তিত্ব হযরত বায়মপুরী রাহঃ তাঁর অনুরোধে সাড়া দিলেন। যোগ দিলেন অধ্যাপনায়। চলল ইলমে হাদীসের পঠন-পাঠন।

মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ ছিলেন জমিয়ত নেতা। ছিলেন ভারত বিভাগের কঠোর বিরোধী । দেশভাগের বিরুদ্ধে তিনি কথা বলেছেন। আন্দোলন করেছেন। এতে চক্ষুশূল হয়েছেন মুসলিম লীগের। জমিয়ত‌ কর্মীগণ দেশভাগ ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু শেষ রক্ষা করতে পারলেন না। দেশ বিভাগ হল। এবার জমিয়ত কর্মীদের উপর শুরু হল নির্যাতন,নিপীড়ন। কারও কারও কাছে আসতে লাগল প্রাণনাশের হুমকি। এ তালিকার শীর্ষে ছিলেন মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ। তাঁর প্রাণনাশের হুমকির খবর পৌঁছল শায়খুল ইসলাম হযরত মাওলানা হুসাইন আহমদ মদনী রাহঃ এর কাছে। তিনি মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ কে ভারতে হিজরতের নির্দেশ প্রদান করলেন। এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী গোপীনাথ বরদলৈ মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরীকে আসামে বসবাসের আমন্ত্রণ জানালেন। প্রাণপ্রিয় মুর্শিদের নির্দেশে এবং আসামের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী গোপীনাথ বরদলৈ মহাশয়ের আমন্ত্রণে মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ ভারতে হিজরত করলেন। এবং বদরপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস আরম্ভ করলেন।

দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসার মুতাওল্লি হযরত মাওলানা হাতিম রাহঃ ঝোপ বুঝে কোপ মারলেন। তিনি মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ এর ব্যক্তিত্ব এবং নেতৃত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন। সুযোগ হাতছাড়া না করে মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ কে দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসায় মুহাদ্দিস হিসেবে নিযুক্তি দিতে চাইলেন। মাওলানা চৌধুরী আপন মুর্শিদের অনুমতি চাইলেন। পেলেন সবুজ সংকেত । এরপর মাওলানা হাতিম আলী রাহঃ শায়খ বদরপুরীকে নিযুক্তি প্রদান করলেন। স্বহস্তে উর্দু ভাষায় নিয়োগপত্র লিখলেন। পয়লা অক্টোবর ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ। মাওলানা চৌধুরী যোগ দিলেন দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসায়। তাউর যোগদানে দেওরাইল টাইটেলে মাদ্রাসার এক নব অধ্যায়ের সূচনা হল।

কিছুদিন পর দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসার শায়খুল হাদিস হযরত মাওলানা মুশাহিদ বায়মপুরী রাহঃ মাতৃভূমি পূর্বপাকিস্তান চলে যান। এতে এখানকার শায়খুল হাদিস ও অধ্যক্ষ পদে শূন্যতা দেখা দেয়। সেই শূন্যতা পূরণ করে শায়খুল হাদিস ও অধ্যক্ষের গুরুদায়িত্বে আসীন হন মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ। অধ্যক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করে মাদ্রাসাটিকে পূর্ণাঙ্গ রূপে গড়ে তুলার স্বপ্ন দেখতে লাগলেন ‌। স্বপ্ন সাকারে তৈরি করলেন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসা খ্যাতির মিনার চূড়া স্পর্শ করতে সক্ষম হল। হযরত শায়খ মাদ্রাসার শিক্ষকবৃন্দকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে চাইছিলেন। মাদ্রাসা শিক্ষকদেরকে সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড় করাতে চাইছিলেন। আর সেই লক্ষ্য পূরণে তিনি মাদ্রাসাগুলোর সরকারি স্বীকৃতির জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করলেন। ফলস্বরূপ আসাম মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ ১৯৪৮ সালে দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসাকে অস্থায়ী স্বীকৃতি প্রদান করে। দুই বছরের মাথায় ১৯৫০ সালে স্থায়ী স্বীকৃতি লাভ করে। ১৯৬৫ সালে অসম সরকার দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসা সহ সর্বোমোট নয়টি মাদ্রাসাকে Ad-hoc grand in aid এর আওতায় আনে।

মাদ্রাসাটি পূর্ণাঙ্গ করা এবং আদর্শ হিসেবে গড়ে তোলা ছিল মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ এর স্বপ্ন। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল জমি সমস্যা। টাইটেল মাদ্রাসার দুটি কক্ষের বিনিময়ে পাপ্ত জমি ছিল ২৭০০ বর্গফুট। যেখানে একটি টাইটেল মাদ্রাসা গড়ে তোলা ছিল অসম্ভব । তাই তিনি বিকল্প জমি খোঁজতে লাগলেন। অবশেষে সড়কের দক্ষিণ পাশে জমির ব্যবস্থা হল( যেখানে আজ আলজামিয়া স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে) । স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে তিনি এগিয়ে গেলেন এক ধাপ। ১৯৫৪ সালের ১ অক্টোবর। শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমদ মদনী রাহঃ দেওরাইল দারুল হাদিসের শিলান্যাস করলেন। এরপর এখানে যথারীতি পাঠদান চলল। হযরত শায়খ এবং তাঁর নিষ্ঠাবান সহকর্মীদের প্রচেষ্টায় দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসা উত্তর পূর্ব ভারতের আদর্শ মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত লাভ করল।

ষাটের দশকে আসামের সিনিয়র মাদ্রাসাগুলোর ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন দেখা দিল। আসাম রাজ্যিক মাদ্রাসা বোর্ড সিনিয়র মাদ্রাসার পাঠ্যসূচিতে ইসলামী বিষয়াদির গুরুত্ব হ্রাস করল। সাধারণ শিক্ষার উপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করে পাঠ্যসূচী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল। বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব, আপোষহীন সংগ্রামী মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ এই কোর্সের অসারতা,অপকারিতা এবং সুদূরপ্রসারী ক্ষতি অনুভব করলেন। এবং এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন। ইসলামী শিক্ষাকে বহাল রেখে প্রয়োজনীয় সাধারণ শিক্ষার অন্তর্ভূক্তির পক্ষে জোরদার সাওয়াল করলেন। এ নিয়ে যথেষ্ট আলোচনা পর্যালোচনা হল। অবশেষে এ বিষয়ে সিনিয়র মাদ্রাসাগুলোর অধীক্ষকগণকে তাদের মতামত জানাতে অনুরোধ করা হল। সবাই মতামত জানালেন । অবস্থান করলেন শায়খের বিপরীত মেরুতে। বোয়ালিপার সিনিয়র মাদ্রাসার অধীক্ষক মাওলানা আব্দুল লতিফ লস্কর রাহঃ এবং ভিতরগুল সিনিয়র মাদ্রাসার অধীক্ষক মাওলানা আব্দুছ ছামাদ রাহঃ ছাড়া কোনও অধীক্ষক হযরত শায়খের সমর্থনে এগিয়ে আসেন নি। তারা হযরতের বিচক্ষণতাপূর্ণ মতামতের গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারেন নি। আর কারও কারও কাছে অনুভূত হলেও শ্রুতের বিপরীতে যেতে চান নি। অবশেষে হযরতের এ দাবি ধোপে টেকেনি।

মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ থমকে দাঁড়ানোর পাত্র ছিলেন না। দমবার ব্যক্তি ছিলেন না। প্রচেষ্টা যখন বিফল হল, তখন তিনি অন্য চিন্তা করলেন। ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন।প্রয়োজনীয় জাগতিক বিষয় সহ মাদ্রাসা শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিয়ে একটি কোর্স সিলেবাস তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করলেন। দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসাকে চারটি বিভাগে সম্প্রসারিত করার সিদ্ধান্ত নিলেন। দারুল উলুম দেওবন্দ ও নদওয়াতুল উলামা লক্ষ্ণৌ এর কোর্স সিলেবাসকে সামনে রেখে প্রাইমারী থেকে গবেষণা বিভাগ পর্যন্ত একটি স্বতন্ত্র কোর্স সিলেবাস তৈরি করলেন। অনুমোদ নিলেন দারুল উলুম দেওবন্দের তৎকালীন উপাচার্য শায়খ মুহাম্মদ তৈয়ীব কাসিমীর কাছ থেকে।

১৯৭০ সালের ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি। দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসার খতমে বুখারী শরীফ এবং নদওয়াতুত তামীরের বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এদিন অগণিত মানুষের উপস্থিতিতে আবেগময় পরিবেশে অশ্রুসিক্ত নয়নে মাওলানা চৌধুরী রাহঃ টাইটেল মাদ্রাসার পশ্চিম পাশে একটি নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। যেটা আজ দুটি সুউচ্চ মিনারা এবং একটি হৃদয়কাড়া গম্ভুজ নিয়ে আলজামিয়ার শুভা বর্ধন করছে ।১৯৭১ সালের জানুয়ারি থেকে নবনির্মিত ভবনে দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসার দ্বিতীয় বিভাগ যাত্রা শুরু করে । ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে খতমে বোখারি শরীফে সর্বভারতীয় জমিয়ত উলামার সভাপতি হযরত মাওলানা আসাদ মদনী রাহঃ তাফসিরে ইবনে কাসিরের পাঠদান করেন।

১৯৭৭ সালে আসাম মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড টাইটেল দ্বিতীয় বিভাগের স্বীকৃতি প্রদান করে। ১৯৭৯ সালে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে স্বীকৃতি বাতিল করে। আসাম মাদ্রাসা শিক্ষক সংস্থা এবং আসাম মাদ্রাসা বোর্ডের প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ভারত সরকারের মানব সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের নির্দেশে অসম সরকারের শিক্ষা বিভাগ প্রথম দ্বিতীয় ও চতুর্থ বিভাগসমূহকে ০৮/৭/১৯৮৩খ্রি Ess ৫৪/৭৫/৩০৮ নং‌ পত্র মারফত সরকারি স্বীকৃতি প্রদান করে।১৯৮৫ সাল থেকে আসাম সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের ১৪ টি শিক্ষক কর্মচারী পদ মঞ্জুর করে অন্যান্য সিনিয়র মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারীদের সমহারে বেতন দিয়ে আসছে। ঐ ১৪ টি পদের মধ্যে একজন হাফিজ, একজন কারী এবং একজন টেইলারী শিক্ষকের পদ রয়েছে। যা এক বিরল দৃষ্টান্ত। উক্ত স্বীকৃতিপত্রে মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ কে অধ্যক্ষ হিসেবে সম্বোধন করে বলা হয়েছে,অসম মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের সঙ্গে কোন সম্পর্ক না রেখে প্রথম, দ্বিতীয় ও চতুর্থ বিভাগের পরীক্ষাগুলো আপনি গ্রহন করবেন। পরীক্ষা উত্তীর্ণ ছাত্রদের সার্টিফিকেট, মার্কশিট ইত্যাদি আপনি দেবেন। আপনার প্রদত্ত সার্টিফিকেট ইত্যাদি সরকার মেনে নেবে।

হযরত শায়খ কয়েকজন দক্ষ শিক্ষাবিদকে নিয়ে একটি পরীক্ষা বোর্ড গঠন করেন। যেটার নাম “বোর্ড অব আলজামিয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামীয়া।” কেন্দ্র সরকারের এই নির্দেশের ফলে সম্প্রসারিত দেওরাইল টাইটেল মাদ্রাসাটি চারটি বিভাগ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠে। ১৯৮৪ সালে খতমে বুখারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হন আসামের শিক্ষা মন্ত্রী শ্রী মুকুট শর্মা মহাশয়। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আলজামিয়ার নাম ঘোষণা করেন।

আলজামিয়ার দ্বিতীয় বিভাগে মৌলবী আলিম ও মৌলবী ফাজিল নামে দুটি পরীক্ষা হত। যেটা ছিল আসাম মাদ্রাসা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত মাদ্রাসা ইন্টারমেডিয়েট ও এফ এম পরীক্ষার সমতূল্য। মৌলবী আলিম ও মৌলবী ফাজিল পরীক্ষা উত্তীর্ণ ছাত্রদের কৃতিত্ব দেখে আসাম মাদ্রাসা শিক্ষা সঞ্চালক মহোদয় এক আদেশপত্রে ২০১৬ সালে মৌলবী আলিম ও ফাজিল পরীক্ষাদ্বয়ের অসম মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদ পরিচালিত মাদ্রাসা ইন্টারমেডিয়েট ও এফ এম পরীক্ষাদ্বয়ের আংশিক ধর্মতত্ত্ব সমন্ধীয় বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে সমমর্যাদা প্রদান করেন। আলজামিয়ার পড়ুয়ারা গোটা পূর্বোত্তরে বহুমুখী ইসলামী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে।

আলজামিয়ার অধ্যক্ষগণের নামের তালিকা:

১. মাওলানা আতিকুল হক রাহঃ, এম এম।
২. মাওলানা মশাইদ সাহেব, বায়মপুরী রাহঃ, এম এম, এফ ডি।
৩. মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ, এম এম, এফ ডি ০১/০১/১৯৮৭
৪. মাওলানা ফয়জুল জালাল রাহঃ, এম এম ০১/১০/১৯৮৭ – ৩১/০৫/১৯৯৬
৫. মাওলানা নয়ীম উদ্দিন রাহঃ, এম এম ০১/০৬/১৯৯৬ – ০৪/০২/১৯৯৭
৬. মাওলানা ইউসুফ আলী সাহেব, এম এম ০৫/০২/১৯৯৭ – ২৮/০৮/২০০০
৭. মাওলানা নয়ীম উদ্দিন রাহঃ, এম এম ২৯/০৮/২০০০ – ৩০/০৬/২০০২
মাওলানা বিলাল আহমদ সাহেব, এম এম ০১/০৭/২০০২ – ০৪/০৯/২০০২
৯. এস এস কবির উদ্দিন আহমদ সাহেব, এম এ, বিএড (প্রশাসনিক) ০৫/০৯/২০০২ – ২৬/০৯/২০০৩
১১. মাওলানা বিলাল আহমদ সাহেব, এম এম ২৭/০৬/২০০৩ – ৩০/১১/২০০৮
১২. মাওলানা ইউসুফ আলী সাহেব, এম এম ০১/১২/২০০৮ – ৩১/০১/২০১৪
১৩. মাওলানা ফরিদ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী সাহেব, এম এম ০১/০২/২০১৪ – ৩১/১২/২০১৭

আলজামিয়ার শায়খুল হাদিসগণের নামের তালিকা:

১. মাওলানা আতিকুল হক রাহঃ রেঙা, বাংলাদেশ।
২. মাওলানা মশাইদ রাহঃ বায়মপুর, বাংলাদেশ।
৩. মাওলানা আব্দুল জলিল চৌধুরী রাহঃ বদরপুর, করিমগঞ্জ।
৪. মাওলানা ফয়জুল জালাল রাহঃ ধর্মনগর, ত্রিপুরা।
৫. মাওলানা আব্দুল খালিক রাহঃ বদরপুর,করিমগঞ্জ।
৬. মাওলানা বিলাল আহমদ সাহেব বদরপুর, করিমগঞ্জ।
৭. মাওলানা ইউসুফ আলী সাহেব বদরপুর, করিমগঞ্জ।

amarkolom

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top