সর্বশেষ
ঢাকা-১৩ নির্বাচনে ফল বাতিলের দাবি, ভোট গণনায় গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ
ভোটে বিজয়ের পর দেবিদ্বারবাসীর মন জয় করার অঙ্গীকার হাসনাত আবদুল্লাহর
স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা
উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভয়াবহ আগুন, নারী নিহত
নিয়ম না মেনে ভোট কেন্দ্র অবস্থান করায় সেনাবাহিনীর বে’ধ’ড় পি’টুনি, যুবদল নেতাসহ আ’ট’ক ২
ক্ষমতায় এলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করার ঘোষণা জামায়াত আমিরের
পাকিস্তানে জুমার নামাজে আত্মঘাতী হামলা, নিহত ৩১
প্রবাসীদের পাঠানো ৪ লাখ ২২ হাজার পোস্টাল ব্যালট দেশে
জামায়াতের সঙ্গে জোট সরকার গঠনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন তারেক রহমান
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশের বাজেট ও সরঞ্জাম সংকটে বাড়ছে চাপ
এনসিটি ইজারা বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে চট্টগ্রাম বন্দর
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে গাজ্জায় ধারাবাহিক হামলা, নিহতের সংখ্যা ৩৭ ছাড়াল
আপিলেও স্বস্তি পেলেন না বিএনপি প্রার্থী, কুমিল্লা-৪ আসনে নির্বাচন অনিশ্চিত
গাজ্জায় আগ্রাসনে ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি হত্যার স্বীকারোক্তি ইসরাইলের

রাসুল সাঃ-এর পবিত্র জীবনী: পর্ব-৩

Hafez MD Nazim Uddin

প্রিয় সন্তানকে ফিরে পেয়ে মা আমিনাহ সিদ্ধান্ত নেন- তিনি ইয়াসরিব (বর্তমান মদিনা) গিয়ে স্বামী আব্দুল্লাহর কবর জিয়ারত করবেন। শ্বশুর আব্দুল মুত্তালিবের ব্যবস্থাপনায় ছোট্ট মুহাম্মদ (সা.) ও পরিচারিকা উম্মে আয়মানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি মক্কা থেকে প্রায় পাঁচশ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মদিনায় পৌঁছান। সেখানে এক মাস অবস্থানের পর মক্কায় ফেরার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থতা ক্রমে বাড়তে থাকে, এবং অবশেষে মক্কা–মদিনার মাঝামাঝি আবওয়া নামক স্থানে তিনি ইন্তেকাল করেন। অল্প বয়সেই নবী (সা.) হয়ে পড়েন সম্পূর্ণ ইয়াতিম।

দাদার স্নেহের ছায়ায়:

পিতার মৃত্যুর পর আশ্রয় ছিল মায়ের বুকে, আর মাতার মৃত্যুর পর ভরসা হয়ে দাঁড়ালেন স্নেহময় দাদা আব্দুল মুত্তালিব। পুত্র আব্দুল্লাহর মৃত্যুর সময় তিনি যেমন কষ্ট পেয়েছিলেন, পুত্রবধূ আমিনার মৃত্যুতেও তাঁর হৃদয় আরো গভীরভাবে ভেঙে পড়ে। কারণ তিনি জানতেন—এখন ছোট্ট মুহাম্মাদ সাঃ এর আর কোনো অবলম্বন রইল না। সেই শোকে তাঁর হৃদয় বিদীর্ণ হলেও নাতির প্রতি তাঁর ভালোবাসা যেন শতগুণে বেড়ে যায়। তিনি নাতিকে নিজের সন্তানের চেয়েও বেশি স্নেহে আগলে রাখতেন।

ইবনে হিশামের বর্ণনা অনুযায়ী- কা‘বাহ শরিফের পাশে আব্দুল মুত্তালিবের জন্য একটি বিশেষ আসন নির্ধারিত ছিল। তাঁর সন্তানেরা সেই আসনের পাশে বসতেন, কিন্তু কেউ সেখানে বসার সাহস করতেন না। অথচ ছোট্ট মুহাম্মদ সাঃ এসে নির্ভয়ে সেই আসনে বসে পড়তেন। চাচারা তাঁকে নামাতে চাইলে দাদা বলতেন, “ওকে কিছু বলো না, ওকে বসতে দাও। আল্লাহর কসম, এই শিশু সাধারণ নয়—অন্য রকমের এক মহান সত্তা।” তিনি নাতিকে কোলে নিয়ে আদর করতেন, স্নেহে ভরিয়ে দিতেন এবং তাঁর প্রতিটি আচরণে আনন্দ খুঁজে পেতেন।

অবশেষে, যখন নবী (সা.)-এর বয়স আট বছর দুই মাস দশ দিন, তখন প্রিয় দাদা আব্দুল মুত্তালিবও মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি পুত্র আবু তালিবের কাছে দায়িত্ব অর্পণ করেন যেন তিনি মুহাম্মদ সাঃ-এর যত্ন নেন। এরপর থেকেই আবু তালিব তাঁর ভাতিজাকে নিজের সন্তানের মতো করে লালন-পালন করতে থাকেন।

পড়ুন আগের পর্ব-২

সম্পর্কিত খবর

এই পাতার আরও খবর

সর্বশেষ