যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে গত ২৪ ঘণ্টায় গাজ্জা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ৩৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর পাশাপাশি একই পরিবারের সাতজন সদস্য রয়েছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিভিন্ন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এই খবর প্রকাশ করেছে আনাদোলু এজেন্সি।
গাজ্জার সিভিল ডিফেন্স জানায়, শনিবার ভোর থেকে শুরু হওয়া এসব হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন।
চিকিৎসা সূত্র জানায়, পশ্চিম গাজ্জা সিটির রিমাল এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে চালানো বিমান হামলায় তিন শিশু ও দুই নারীসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ গাজ্জার খান ইউনিস শহরের উত্তর-পশ্চিমে আসদা এলাকায় বাস্তুচ্যুতদের জন্য স্থাপিত একটি তাঁবুতে হামলায় একই পরিবারের সাতজন প্রাণ হারান। নিহতদের মধ্যে একজন ব্যক্তি, তার তিন ছেলে এবং তিন নাতি-নাতনি রয়েছেন। খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের প্যারামেডিকরা হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে পূর্ব গাজ্জা সিটির আল-তুফাহ এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে চালানো হামলায় বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এ ছাড়া ইসরাইলি যুদ্ধবিমান গাজ্জা সিটির উত্তর-পশ্চিমের আল-জাল্লা সড়ক এবং মধ্য গাজ্জার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের পূর্বাংশে পৃথক দুটি হামলা চালায়। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকার স্ট্রিট-২-এ অবস্থিত আল-রিবাত কলেজসংলগ্ন ‘গাইথ’ শিবিরের প্রশাসনিক ভবনেও বিমান হামলা চালানো হয়েছে। ওই শিবিরে শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল বলে জানিয়েছে আনাদোলুর প্রতিবেদক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হামলার আগে ইসরাইলি সেনাবাহিনী এলাকা খালি করার সতর্কবার্তা দেয়। এর আগে একটি ইসরাইলি ড্রোন থেকে সেখানে প্রাথমিক হামলা চালানো হয়েছিল।




