উত্তর ভারতের আসাম রাজ্যে সোমবার ভোরে ৫ দশমিক ৪ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে (ইউএসজিএস)।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভূপৃষ্ঠের অল্প গভীরে সংঘটিত এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটান সীমান্তসংলগ্ন ধিং গ্রামের প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে কম্পনটি অনুভূত হয়, যা গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী রোববার রাত ১০টা ৪৭ মিনিট।
ইউএসজিএস জানায়, ভূমিকম্পের কম্পন তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হলেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় জনবসতি কম থাকায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা কম। এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
হিমালয় অঞ্চলকে বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে ধরা হয়। এই অঞ্চলে প্রায় প্রতি বছরই বিভিন্ন মাত্রার ভূমিকম্প ঘটে। অতীতে এখানেই ভারতের ইতিহাসের কয়েকটি মারাত্মক ও প্রাণঘাতী ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে।
এর মধ্যে ১৯৫০ সালে আসাম ও তিব্বত অঞ্চলে আঘাত হানা এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে প্রায় ৪ হাজার ৮০০ মানুষ প্রাণ হারান। এছাড়া ১৮৯৭ সালের ‘গ্রেট আসাম ভূমিকম্প’ ভারতের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প হিসেবে পরিচিত, যেখানে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চলে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।





